জলবায়ু পরিবর্তনে করো’নার চেয়েও বেশি মানুষ মা’রা যাবে

জলবায়ু প'রিবর্তন রো'ধে কো’নো প'দক্ষে'প নেওয়া না হলে ২০৫০ সাল নাগাদ প্র'তি বছরই অনেক মা'নুষ প্রা’ণ হারাবে। করো’না মহামা’রিতে এক বছরেই যত মা'নুষ প্রা’ণ হা'রিয়েছে, জলবায়ু প'রিবর্তনের কারণে এই শতকের মাঝামাঝিতে প্র'তি বছর এর চেয়ে বেশি মা'নুষ প্রা’ণ হারাবে।

এমনই আশ’ঙ্কা করেছেন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের সাবেক গভর্নর মা’র্ক ক্যানরি। তিনি আক্ষে'প প্রকাশ করে ব'লেন, যেখানে এখন কোটি কোটি মা'নুষের মৃ’ত্যু ঠেকানোর জ'ন্য কাজ করা উ'চিত, সেখানে বিলিয়ন ড'লার খ'রচ করা হচ্ছে অর্থনীতির চাকা সচল রে'খে প'রিবেশ ধ্বংস করতে।

মা’র্ক ক্যানরি প্রথমে ব্যাংক অব কানাডার প্রধান ছিলেন। এরপ'র ২০২০ সাল প'র্যন্ত পালন করেছেন ব্যাংক অব ইংল্যান্ডের গভর্নরের দায়িত্বে। বর্তমা'নে তিনি জাতিসংঘের ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড ফিন্যান্সের দূত হিসেবে কাজ করছেন। সংবাদ মাধ্যম বিবিসিকে তিনি ব'লেন, করো’না মহামা’রি আর জলবায়ু প'রিবর্তনের ক্ষ'য়ক্ষ'তি এখন স'মা'ন্তরাল গ'তিতে এগোচ্ছে।

জলবায়ু খেকে নিজেকে আ'ইসোলেট করে রাখার কো’নো সু'যোগ নেই ব'লে মন্তব্য করেন তিনি।

বি'জ'নেস এশিয়া, জলবায়ু প'রিবর্তন চ্যালেঞ্জবি'ষয়ক এক আলোচনায় তিনি ব'লেন, জলবাযু প'রিবর্তনের বি'ষয়টি যখনই মা'নুষের জীবনের স’ঙ্গে স'ম্পৃক্ত করে দেখা হবে, তখনই স্পষ্ট হবে, করো’নার কারণে এক বছরে যত মা'নুষ মা’রা গেছে, এই শতাব্দীর মাঝামাঝিতে জলবায়ু প'রিবর্তনের কারণে প্র'তি বছর তার চেয়ে বেশি মা'নুষ মা’রা যাবে।

বিভিন্ন দেশের সরকার করো’না-প'রবর্তী বি’প'র্যস্ত অর্থনীতি পুনরুদ্ধা'রে ট্রিলিয়ন ড'লার ব্যয় করছে। কিন্তু কার্বন নিঃসরণ রো'ধে ব্যয়টা নিতান্তই নগণ্য। গত বছর কাকতালীযভাবে কার্বন নিঃসরণ কম ছিল, কারণ মা'নুষের ভ্রমণের সু'যোগ ছিল না।

অথচ এই ক্রান্তিকালে নবায়নযোগ্য জ্বালানি আর প'রিবেশবান্ধব অবকা'ঠামোতে বিনিয়োগ দ্বিগুণ করা উ'চিত।

তিনি ব'লেন, আ'গামী ৩ দশকে প্র'তি বছর সাড়ে ৩ ট্রিলিয়ন ড'লার প'রিবেশ সুর'ক্ষার বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগ করতে হবে।

বেসরকারিভাবে বিনিয়োগের জ'ন্য সারা’বি'শ্বে ১৭০ ট্রিলিয়ন ড'লার রয়েছে। ব্যাংক, বিনিয়োগ তহবিল আর ব্য’ক্তিবি'শেষে, স’বারই প্রশ্ন, বিনিয়োগ কোথায় করলে সেই বিনিয়োগ লাভজ'নক এবং স্থিতিশীল কো’নো কাজে আস’বে।

যু’ক্তরাষ্ট্র আবারো ফিরেছে জলবায়ু প'রিবর্তন রো'ধের যু’দ্ধে। এদিকে বি'শ্বের স'র্বোচ্চ প'রিবেশ দূষণকারী দেশ চীন বলছে, ২০৬০ সাল নাগাদ কার্বন নিঃসরণ শূন্যে আনবে তারা। এদিকে তারা কয়লাভিত্তিক বৈদ্যুৎ প্ল্যান্ট তৈরি অব্যাহত রে'খেছে, যেগুলোতে ৭০ শতাংশই ব্যবহার করা হচ্ছে জীবাশ্ম জ্বালানি। মা’র্ক কেনরি ব'লেন, চীন যত দ্রু'ত কয়লার ব্যবহার থেকে সরে আস’বে, সারা’বি'শ্বের জ'ন্য তা ফলপ্রসূ হবে।

এদিকে বৃহত্তম আর্থিক খাতকে চাঙা রাখার পাশাপাশি প্রকৌশল ও প্রযু’ক্তি খাতে কার্বন নিঃসরণ ক'মিয়ে আনতে হবে যু’ক্তরাষ্ট্রের।