চাকরি বাঁচাতে নারী বসের শয্যাসঙ্গী হয়ে বিপাকে যুবক

ক’র্মক্ষেত্রে বাজে পা’রফরমে’ন্সের কারণে ব’হিষ্কা’র হতে যাচ্ছিলেন এক ব্রি'টিশ তরুণ। ওই স'ময় না'রী বসের আ’হ্বানে তৈরি হয় শারী’রিক স'ম্প'র্ক। র'ক্ষা পায় চাকরি। এখন চাকরি ছা’ড়তে চাচ্ছেন, বি’পাকে প’ড়েছেন বসের স’ঙ্গে গড়ে ওঠা স’ম্প'র্ক নিয়ে।

স’ম্প্র'তি নাম প্রকাশ না করে ব্রি'টিশ এক ত’রুণ নিউজ ওয়েবসাইট রেডডিটে একটি লেখা পোস্ট করেন। সে’খানে নিজের অ’ভিজ্ঞতা তুলে ধ'রেন। ব'লেন, সে’প্টেম্বর থেকে তিনি একটি ক'ল সেন্টারে কাজ করছেন। অ’ফিসের দেওয়া ন্যূ’নতম লক্ষ্য পূরণের জ'ন্য আ’প্রা'ণ লড়াই করে যা’চ্ছিলেন তিনি।

গেল কয়েক স’প্তাহ ধ'রে ক'ল সেন্টারের চা’করিতে ওই তরুণ স্বা’চ্ছন্দ্যবোধ করছেন না। তখন তিনি চা’করি ছা'ড়ার ক'থা না'রী বসকে জা’নান। না'রী বস তখন তাকে চা’করি না ছা'ড়ার অ'নুরো'ধ করেন। ব'লেন, তুমি থাকো, তোমা’র কো’নো কাজ ক’রতে হবে না, বাকি স’ব আমি দে’খছি। ব্রি’টিশ তরুণ তার পোস্টে না'রী ব’সের নাম ‘মি’শেল’ ব'লে উ'ল্লেখ করেন।

ওই তরুণ ব'লেন, তিনি ভে’বেছেন আমি চাকরি ছে'ড়ে চ'লে গেলে হয়তো তার স’ঙ্গে আর স’ম্প'র্ক রাখব না, যো’গাযোগ করব না। বাস্তবে আমি তাই ক’রতাম। তারপ'র মিশেল আমাকে হু’মকি দেয়, আমি যদি চা’করি ছা'ড়ার চেষ্টা করি, তাহলে অ’ফিসের জ্যেষ্ঠ ব্য’বস্থাপকের কাছে গো’পন স’ম্প'র্কের বি'ষয় জা’নিয়ে দেবেন।

পোস্টে তিনি লিখেন, সে’প্টেম্বরে চা’করি শুরুর প'র আমি আমা’র ন্যূ’নতম লক্ষ্য পূরণ করতে পা’রছিলাম না। এ কারণে হ’তাশা কাজ করছিল। খুব চা’পে ছি’লাম। আমি জা’নতাম আমাকে ব’হিষ্কা’র করা হবে। এটা আমা’র জ'ন্য খুব বি’ব্রতকর হতো। চাকরি ছে'ড়ে দেবো দেবো ভা’বছিলাম।’

এমন স'ময় আরও ক’য়েকজ'ন স’হকর্মী এবং আমা’র ৪৬ বছর ব'য়সী না'রী বস মি’লে স্থানীয় একটি পা’নশালায় যাই। ‘সেখানে আ’মাদের অনেক গ'ল্প হয়। লম্বা স'ময় ধ'রে আ’ম'রা আড্ডা দেই। প'রে আমি এবং আমা’র বস এক’সা'থে বাসায় ফিরি। একসা'থে রা'ত কা’টাই। প'রবর্তীতে বিভিন্ন জা’য়গায় আমাদের সা’ক্ষাত হয়েছে। স'ময় কা’টিয়েছি আম'রা।

’আমা’র ব’য়স ১৯ বছর। ক’র্মক্ষেত্রে আমা’র পা’রফরমেন্স খারাপ হওয়ার কারণে বস খুব চা’প নি’চ্ছিলেন। আম'রা মনে হয়েছে, আমি চাকরি ছে'ড়ে দিলে তিনি ভা'লো থা’কবেন। তিন স’প্তাহ আ'গে আমি তাকে জা’নাই, আমি চা’করি ছে'ড়ে দিতে চাচ্ছি। তিনি চা’করি না ছাড়তে অ’নুরো'ধ করেন। প্র'তিশ্রুতি দেন, আমা’র কাজ স’হজ করে দেয়ার চেষ্টা করবেন।

তিনি আমা’র কাজ স'হজ করে দি’য়েছেন। এখন আমি অ'ফিসে যাই। স’বার সা'থে গ'ল্প করি। বসে থাকি। তেমন কো’নো কাজ আ’মাকে ক’রতে হয় না। আর তিনি আমা’র কা’জকে বৈধ ব'লেই মেনে নি’চ্ছেন। কারণ তিনি আ’মাকে হা’রা'তে চান না।’ ‘আমি এ প’রিস্থিতি থেকে র'ক্ষা পেতে চাই।