বিয়ের ১০ দিন পর নববধূকে তালাক দিয়ে শাশুড়িকে বিয়ে

বিয়ের দশ দিনের মাথায় নববধুকে তা'লাক দিয়ে শ্বাশুড়িকে বিয়ে করলেন মোনছের আলী (৩২) নামের এক ব্য’ক্তি।এই ঘ'টেছে এ'লাকায়।ঘ’টনা জা'নাজানি হবার প'র চা'ঞ্চল্য ছড়িয়েছে এ'লাকায়।বিয়ের মাত্র এগারো দিনের দিন ঘ'র ভাঙলো বছর উনিশের তরুণীর। আর শ্বাশুড়ি মাজেদা বেগম (৪০)এখন মোনছের আলীর ঘ'রণী।শ্ব'শুরবাড়িতে এক সপ্তাহ থাকার প'র শুক্রবারই বা'বার বাড়ি ফিরে আসেন নববধু। এর প'রদিনই এই অঘ'টন ঘ'টে।জা'না যায়, গ্রা'মের মৃ’ত ওগ্রা'মের ওইতরুণীকে বিয়ে করেন।

বিয়ের প'রদিন শা'শুড়ি মাজেদা বেগম মেয়ের বাড়ি বেড়াতে যান। মেয়ের স’ঙ্গে এক সপ্তাহ বেয়াই বাড়ি থাকার প'র গত শুক্রবার বর-কনেস'হ নিজ বাড়ি ফেরেন।শনিবার সকালে কো’নো এক কারণে নূরন্নাহার বরের সংসার করবেন না ব'লে জা'নান। শুরু হয় পা'রিবারিক ক’লহ।এ স'ময় শা'শুড়ি মাজেদা বেগম নতুন জামাতার সংসার করবেন ব'লে জা'নান।

এমতাবস্থায় অস'হায় শ্ব'শুর মাজেদা বেগমের স্বা’মী গ্রাম্য সালিশ ডাকেন।হাদিরা ইউনিয়ন প'রিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার, ইউপি সদস্য নজ'রুল ইসলামস'হ এ'লাকার গণ্যমা'ন্যরা বৈঠকে বসেন।সামাজিক বি'চারে মাজেদা বেগম ও মোনছের আলীকে লা’ঞ্ছিত করা হয়। এরপ'র পুরো প'রিবারের স'ম্মতিতে স্ত্রী মাজেদা বেগমকে তা'লাক দেওয়া হয়।

প'রে বর মোনছের আলী তা'লাক দেন নববধূ ওই তরুণীকে দেন।এরপ'র একই অ'নুষ্ঠানের স’বার উপস্থিতিতে মোনছের আলীর স’ঙ্গে মাজেদা বেগমের এক লাখ টাকা কা'বিনে বিয়ে হয়। এই কাজ গুলো স'ম্পন্ন করেন হাদিরা ইউনিয়নের নিকাহ রে'জিস্টার কাজী জিনাত।কাজী জা'নান,ইউপি চেয়ারম্যান, মেম্বার,

গ্রাম্য মাতব্বর এবং ওই প'রিবারের সক'ল সদস্যের স'ম্মতিতে দু’টি তা'লাক এবং একটি বিয়ের কাজ একই অ'নুষ্ঠানে স'ম্পাদন করা হয়।ইউপি মেম্বার নজ'রুল ইসলাম জা'নান, পুরো কাজ'টি হয়েছে ওই প'রিবারের স'ম্মতিতে।তবে শা'শুড়ি বিয়ে করার ঘ’টনায় আ'পত্তি' থাকায় গ্রামবাসীদের উপস্থিতিতে মোনছের ও মাজেদাকে শা’স্তি দেওয়া হয়।ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল কাদের তালুকদার জা'নান

শা'শুড়ি বিয়ের খবরে ক্ষু’ব্ধ গ্রামবাসী বাড়ি ঘেরাও করে মা’রপিট শুরু করেন। খবর পেয়ে তিনি ঘ’টনাস্থলে যান।সংসার না করার কারণ জানতে চাইলে ওই তরুণী জা'নান, মা এমনটা করবে, ভাবিনি। তিনি আরও জানিয়েছেন, বিয়ের স'ময় বা'বা বেশ কিছু যৌ’তুক দিয়েছিলেন। সে গুলো আমাকে ফেরত দেওয়া হোক। নচেৎ আমি আ'ই’নের আ'শ্রয় নেবো।