মাত্র ৪ মাসে কোরআন মাজিদের হাফেজ ৮ বছরের মেয়ে

হিসেবে তাই আমাদের কো’রআন পড়া উ'চিত, কো’রআন বুঝা উ'চিত, কো’রআনের বি'ধানমতে জীবন প'রিচালনা উ'চিত। যুগ যুগ ধ'রে বহু মা'নুষ কো’রআন নিয়ে গবেষণা করেছেন, কো’রআনের সেবা করেছেন, কো’রআন মুখস্থ করে হাফেজ হয়েছেন, মা'নুষকে কো’রআন শিখিয়েছেন, অনেকেই শিখছেন।

পবি'ত্র কো’রআনের খেদ'মতের এস’ব কাজের ধা'রাবিকতায় এবার পা’কিস্তানে জ'ন্ম নেওয়া ৮ বছরের এক শি’শু মাত্র ৪ মা'সে পুরো কো’রআন মজিদ হেফজ (মুখস্ত) করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে।পেশোয়া নামু’স, পা’কিস্তানে জ'ন্ম নেওয়া ৮ বছরের মেয়ে। এই ছোট্ট বয়সে মাত্র ৪ মা'সে পুরো কো’রআন শরিফ মুখস্ত করে রেকর্ড সৃষ্টি করেছে। কো’রআন শরিফ হেফজের মাধ্যমে পেশোয়া তার স'হপাঠীদের কো’রআন মুখস্তের রেকর্ডও ভে’ঙে দিয়েছে।

কী’ভাবে এত কম স'ময়ে পেশোয়া পুরো কো’রআন মুখস্থ করেছে তা উঠে এসেছে তার মায়ের এক সাক্ষাতকারে।স'ম্প্র'তি পা’কিস্তানের একটি বেসরকারি টেলিভিশন তার মায়ের একটি সাক্ষাতকার প্রচারিত হয়েছে। ওই সাক্ষাতকারে পেশোয়ার আম্মা ব'লেন, ‘পেশোয়া নামু’স একনিষ্ঠভাবে কো’রআনের স’বক মুখস্ত করতে বসলে ঘ'রের দরজা বন্ধ করে পড়তে বসতো।

যতক্ষণ তার স’বক মুখস্ত না হতো, ততক্ষণ সে দরজা খুলতো না, কারো স’ঙ্গে ক'থা বলতো না- এমনকি খাবারও খেতো না সে।পেশোয়ার মা আরও জা'নান, আল্লাহ’তায়ালার এ'কান্ত রহমতে খুব অ'ল্পস'ময়ে পেশোয়া পবি'ত্র কো’রআন মুখস্ত করতে সক্ষ’ম হয়েছে। ও সারাক্ষণ কো’রআন তেলাওয়াত নিয়ে বিচলিত থাকতো।

তাকে আম’রা বারণ করতাম, সান্তনা ও সাহস দিতাম। কিন্তু ও এস’ব শুনতে চাইতো না।এক রা'তে ৩টার স'ময় ঘুম থেকে উঠে দেখি পেশোয়া জায়নামাজে বসে আল্লাহর কাছে কা’ন্নাকা'টি করছে। এ থেকে বুঝা যায়, দ্রু'ত পুরো কো’রআন হেফজের বি'ষয়ে পেশোয়ার প্র'তি আল্লাহ’তায়ালার বি'শেষ

রহমত কাজ করেছে। না হলে এই বয়সি মেয়ের মাঝে এই অ'নুভূতি আসে কোথা থেকে?সাক্ষাতকারে পেশোয়া ব'লেন, আমা’র এক স'হপাঠী ৫ মা'সে কো’রআন মুখস্থ করেছে। আমি চেয়েছি ওর চেয়ে কম স'ময়ে কো’রআন মুখস্থ করতে। সত্যি ক'থা ক'থা বলতে কী’, আমি ওকে হারা'তে চেয়েছি।

আল্লাহ’তায়ালা আমাকে সেই সু'যোগ করে দিয়েছেন। আমি খুশি, অনেক খুশি।পেশোয়া নামু’স তার ১৭ জ'ন স'হপাঠীর স’ঙ্গে প্র'তিযোগিতা করে স’বার আ'গে পুরো কো’রআন মুখস্থ করেছে। পেশোয়ার বড় দুই বোনও পবি'ত্র কো’রআনের হাফেজ। পেশোয়া নামু’স বড় হয়ে বি'চারক হতে চায়।