পটল খেলে যেসব জটিল রোগের মুক্তি!

জনপ্রিয় সবজির মধ্যে পটল অন্যতম। সবজিতে রয়েছে পটলের বিভিন্ন ব্যবহার। ভর্তা-ভাজি, ঝোল। কোন কিছুতেই পটলের জুড়ি নেই। পটল সারা বছর বাজারে পাওয়া যায়। তরকারি ছাড়াও বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রয়েছে এর বিবিধ ব্যবহার। কোথাও পটলের স্যুপ করা হয় আবার কোথায় ভিন্ন উপায়ে পটল খাওয়া হয়। আমাদের দেশেও পটলের খোসা ও বিচি ফেলনা নয়। এগুলো ভিন্ন ভাবে ভর্তা হয়।

তবে যেভাবেই হোক পটল খেলে বিভিন্ন রো’গ সারে। এটা একটি পুষ্টিকর খাদ্য। এতে ভিটামিন বি১.বি২ ও ভিটামিন এবং ক্যালসিয়াম। মাথার ব্যাথা ও ওজন কমাতে পটলের বিকল্প নেই।

জে’নে নিন পটল কী কী রো’গ সা’রাবে

ওজন কমতে সাহায্য করে- পটলে খুব কম ক্যালরি রয়েছে। অথচ, পে’ট ভর্তি রাখে। কাজেই ওজন কমাতে পটলের বিকল্প কিছু নেই।

বয়সের ছাপ দূ’র করে- পটল ভিটামিন এ, ভিটামিন সি ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট-এ ভরপুর। কাজেই ত্বকের জন্যও উপকারি! ফ্রি র‍্যাডিকেলের বি’স্তার রো’ধ করে ত্বকে বয়সের ছাপ পড়তে দেয় না।

র’ক্ত প’রিষ্কার করে- পটল র’ক্ত প’রিশোধ িত করে। কোলেস্টেরল ও ব্লাড সুগার কমায়। আয়ুর্বেদ চিকিৎ’সায় ঠান্ডা, জ্বর ও গলা ব্য’থায় পটল খেতে বলা হয়।

পে’টের পীরা দূ’র করে- পটলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফাইবার রয়েছে যা খাবার হ’জম ক’রতে সাহায্য করে। এছাড়াও, গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ও লিভারেরস’মস্যা সমাধানে এক্সপার্ট! পাশাপাশি পটলের বীজ কোষ্ঠকাঠিন্য কমায়। পটল ও ধনেপাতা থেঁতলে জলে ভিজিয়ে রাখু’ন। এই মি’শ্রণটিকে ৩ ভাগ করে এর স’ঙ্গে মধু মিশিয়ে দিনে ৩ বার খান। হ’জমের স’মস্যা কাছে ঘেঁষবে না!

মাথার চুল বৃ’দ্ধি করে- পটলের রস মাথায় লা’গালে মাথা ব্য’থা কমে। পটলের পাতার রস ক্ষ’ত নিরাময়ে সাহায্য করে এবং টাকের স’মস্যা সমাধানেও কাজে লাগে।