প্রতিদিনের যেসব অভ্যাস টনসিলের সমস্যা বাড়ায়

আমাদের মধ্যে অনেকেই টনসিলের সমস্যায় ভুগেন। যা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। মূলত গলার ভেতরে ডান ও বাঁ দিকে ছোট্ট বলের মতো যা দেখা যায় তার নামই টনসিল। সাধারণ টনসিলগুলোর কোনো একটির প্রদাহ হলেই তাকে বলে টনসিলাইটিস। তখন তীব্র গলাব্যথা, ঢোক গেলার সমস্যাসহ নানাবিধ জটিলতা দেখা দেয়।

শরীরের প্রতিরোধ ব্যবস্থার গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে টনসিল। এটি গোটা শরীর সুস্থ রাখতে ভূমিকা রাখে। কোনো কারণে টনসিলে সংক্রমণ দেখা দিলে অনেক সময় তা মারাত্মক আকার ধারন করে। তাই আগে থেকে সতর্ক হওয়া জরুরি।

দৈনন্দিন জীবনে এমন কিছু অভ্যাস আছে যা টনসিলে সংক্রমণের আশঙ্কা বাড়িয়ে দেয়। চলুন জেনে নেয়া যাক সেগুলো-

>> সুস্থ থাকতে শরীরে আর্দ্রতা বজায় রাখা খুবই জরুরি। অনেকসময় হাত বা খাবার থেকে শরীরে জীবাণু ঢুকলেও প্রচুর পানি পান করলে তা ধ্বংস হয়। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

>> টনসিলের সমস্যা তৈরি হয় এমন খাবার এবং পানীয় গ্রহণের ক্ষেত্রে সাবধান থাকতে হবে। এজন্য খুব মশলাদার খাবার, মিষ্টি, খুব গরম বা ঠাণ্ডা খাবার খাওয়া থেকে বিরত থাকতে হবে।

>> অনেক গবেষণায় দেখা গেছে, মুখ মানবদেহের অন্যতম বড় অংশ যেখানে জীবাণুরা দীর্ঘসময় বসবাস করে। এ কারণেই মুখের মধ্যে জীবাণুর সংক্রমণ কমানোর জন্য অন্যদের ব্যবহৃত চামচ, কাঁটাচামচ, কাপ এবং খাওয়ার বিভিন্ন পাত্র ব্যবহার থেকে বিরত থাকুন।

>> ডেন্টাল বিশেষজ্ঞদের মতে, টনসিলাইটিস থেকে বাঁচতে নিয়মিত টুথব্রাশ পরিবর্তন করা উচিত। কারণ পুরানো টুথব্রাশ টনসিলের প্রদাহের জন্য দায়ী। একই ও পুরনো টুথব্রাশ দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে জীবাণুর সংক্রমণ বাড়বে। এতে টনসিলের ঝুঁকিও বেড়ে যাবে।

>> জীবাণু ধ্বংসের জন্য অ্যান্টিব্যকটেরিয়াল সাবান দিয়ে নিয়মিত হাত পরিষ্কার করা উচিত। আর বাইরে বের হলে সাবান পাওয়া সহজ না হলে হ্যান্ড স্যানিজাইটার ব্যবহার করা প্রয়োজন। এছাড়া পাবলিক টয়লেট ব্যবহারের পরও সাবান-পানি না পেলে স্যানিজাইজার ব্যবহার করা দরকার। কিন্তু অনেকেই তা করেন না। এতে হাতে জীবাণু থাকার কারণে তা সহজেই শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে।

সূত্র: হেলদি বিল্ডার্জড।

Be the first to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published.


*